Monday, August 15, 2011

জোকস নং ২৫৬


বিখ্যাত এক পশু চিকিৎসক । তার নাম যশ ভালই তবে একটাই সমস্যা। অপারেশনের পর তিনি পশুর পেটে গজ, ব্যান্ডেজ , কাচি ইত্যাদি রেখে আসেন। একদিন তিনি হাতির পেট অপারেশন করলেন। অপারেশনের পর তাকে খোশমেজাজে দেখে সহকর্মি তাকে বললেন ‘ কি ব্যাপার আজ এত খুশি কেন ?‘
ডাক্তার : আজকে কোন কিছুই ফেলে আসিনি , এ জন্যেই…। কিছুক্ষন পর দেখা গেল ডাক্তার তার কম্পাউন্ডারকে ডাকছেন..। ক্যাবলা …ক্যাবলা.।..গেলো কই ব্যাটা…?
ক্যাবলা জায়গা মত সেন্ড হয়ে গেছে।

জোকস নং ২৫৫


তরুণ্ঃ এই রিয়া, আমি ই কী তোমার জীবনের প্রথম পুরুষ্?

রিয়াঃ হ্যা, অবশ্যই, আমি বুঝি না, তোমরা সব পুরুষ রাই কেন আমাকে এই একই প্রশ্নই করো ?

জোকস নং ২৫৪


হাব্লুঃ  তুমি যদি আমাকে বিয়ে না করো তাহলে আমি আত্যহত্যা কর্ব ।

বান্ধবীঃ ছি! তা কেনো? পৃথীবিতে আরো কতো সুন্দরী আছে?

হাব্লুঃ   তুমি ই বিয়ে করতে চাইছো না , আবার সুন্দরী মেয়ে? !!

জোকস নং ২৫৩


বল্তুর বান্ধবীর হাতের নখ খাওয়ার খারাপ অভ্যাস ছিল, তাই বল্তু তাকে যোগ ব্যামের ক্লাস এ ভর্তি করে দিল, কিছুদিন পর বল্তু সেই বান্ধবির সাথে দেখা করতে গেলো এবং দেখলো যে তার বান্ধবির হাতের নখ বর হয়েছে,
বল্তু তখন বলতেছে,"দেখেছ , যোগ ব্যাম করে তোমার হাতের নখ খাওয়ার অভ্যাস দূর হয়েছে"।
বান্ধবিঃ না সোনা, তা না।আমি এখোন পায়ের নখ ও খেতে পারি যোগ ব্যাম শিখে।

জোকস নং ২৫২


ক্রেতাঃ  আমি পাহাড়ের উপর থেকে লাফাব, একটা প্যারাসুট চাই।

বিক্রেতাঃ এই যে নিন্।

ক্রেতাঃ এটা ঠিক সময়ে খুলবে তো?

বিক্রেতাঃ হ্যা খুলবে, আর যদি না খুলে তাহলে নিয়ে আসবেন্, আমি বদলে দিব।

জোকস নং ২৫১


ঃ রিনার সাথে কি তোমার বাগ্দান কি ভেংএ গেচে?

ঃ হ্যা।

ঃ কেনো?

ঃ আমি যে গরিব তাই ।

ঃ কেন তুমি তাকে তোমার বড়লোক চাচার কথা বলো নাই?

ঃ বলেছিলাম বলেই তো সে এখন আমার চাচি।

জোকস নং ২৫০


এক প্রেমিকা তার স্বল্প পরিচিত প্রেমিক ডাক্তারের সাথে দেখা করতে আসছে, তো সে সুপারিটেন্ডেন্ট মহিলা কে জিগ্গেস কর্ল,আচ্ছা ডাক্তার নাহিদ কি আছেন্?

মহিলাঃ জি আছেন্, আপনি তার কে হন্?

প্রেমিকাঃ জি, আমি তার বোন্।

মহিলাঃ ও ! আচ্ছা ভাল, আমি ডাক্তার নাহিদ এর মা।

জোকস নং ২৪৯


প্রেমিক্ঃতোমার বাবা কে বলো নাই যে আমাকে না পেলে তুমি বাচবে না?

প্রেমিকাঃ বলেছি তো।

প্রেমিক্ঃ তো তিনি কি বলেছেন্?

প্রেমিকাঃ বলেছেন্, "চিন্তা করো না, কাফনের খরচ দিয়ে দিব
"

জোকস নং ২৪৮


বন্ধু দিবসে বন্ধুময় একটি জোকস্-

দুই বন্ধু পান চিবাতে চিবাতে ছিনেমা হল এ ছিনেমা দেখছিল...........................

১ম বন্ধুঃএই আমার পানের পিক টা কথায় ফেলি বল তো?

২য় বন্ধুঃ কেন তোর পাশের লোক টার পকেট এ ফেল্।

১ম বন্ধুঃ যদি টের পেয়ে যায় ?

২য় বন্ধুঃ টের পাবে কেন? আমি যে তোর পকেট এ ফেললাম, সেটা কি তুই টের পেয়েছিস্
?

জোকস নং ২৪৭


এক লোক বলতেছেন্ঃ এই যে শুনেন্, আপনি কি জানেন, বিয়ের আগে আপনার স্বামীর পিছনে সোনালী চুলের এক গাধা তাইপের মেয়ে ঘুরঘুর করত ???
মহিলাঃ জি, আমি এখন চুল কালো করে ফেলেছি।

জোকস নং ২৪৬


প্রশ্নঃ প্রেমিক এবং স্বামীর ভিতর পার্থক্য কি?
উত্তর্ঃ প্রেমিকের সাথে কথা বললে মাথা ঘুরে ( ! ) আর স্বামীর সাথে কথা বললে মাথা ব্যথা করে।
প্রশ্নঃ প্রেমিকা এবং স্ত্রীর ভিতর পার্থক্য কি?
উত্তর্ঃ বিয়ের আগে এক রকম ( সুশীল্) আর বিয়ের পরে আরেক রকম ( দজ্জাল
)

জোকস নং ২৪৫


১ম বন্ধুঃ কিরে কেমন আছিস্?তোর বউ কেমন আছে?
২য় বন্ধুঃ বউ নেই , ৬ মাস হলো বাপের বাড়ি গেছে। ওরে একটু কথা শুনিয়ে ছিলাম্।
১ম বন্ধুঃ কি কথা শুনিয়ে ছিলি? মনে আছে তোর্? আমার বউ এর উপর ও কথা তা একটু প্রয়োগ করে দেখতাম্ ???

জোকস নং ২৪৪


স্যার ক্লাশে সবাইকে "তোমার দেখা ক্রিকেট ম্যাচ" নিয়ে রচনা লিখতে দিয়েছেন। সবাই মন দিয়ে লিখে চলছে।
৩-৪ মিনিট পরেই স্যার হঠাৎ দেখেন রন্টি জানালা দিয়ে উদাস নয়নে বাইরের মাঠের দিকে তাকিয়ে আছেন।
স্যার রন্টিকে ঝাড়ি দিয়ে জানতে চাইলেন, ‘এই তুমি লিখছো না কেন?’
রন্টি: স্যার আমার লেখা হয়ে গেছে!
স্যার: মানে? কই তোমার খাতা দেখি?
রন্টি স্যারকে খাতা এগিয়ে দিলেন, স্যার দেখলেন খাতায় লেখা রয়েছে “বৃষ্টির কারনে ম্যাচ পরিত্যাক্ত ঘোষনা করা হলো।”
Share by clicking http://shareAsunHasi.tk/

জোকস নং ২৪৩


প্রেমিকাঃ জানো, বৃষ্টি জিনিসটা অনেক ভালো, বৃষ্টির স্পর্শে ফুল, ফল এবং প্রকিৃতির সব কিছু সুন্দর হয়ে উঠে......
প্রেমিকঃ ইস! তোমার উপর যদি একটা বৃষ্টির ফোঁটা পড়ত ????

জোকস নং ২৪২


রোগী: ডাক্তার, আপনি কি নিশ্চিত যে আমার নিউমোনিয়া হয়েছে? আমি কিন্তু একজনের কথা জানি যাকে ডাক্তার নিউমোনিয়ার চিকিৎসা দিয়েছিল। পরে সে ক্যানসারে মারা যায়।
ডাক্তার: ঘাবড়াবেন না, আমি আপনাকে নিউমোনিয়ার চিকিৎসা দিলে আপনি নিউমোনিয়াতেই মারা যাবেন।

জোকস নং ২৪১


*গতি সীমার থেকে দুরুত বেগে গাড়ি চালানর জন্য বল্টু মিয়া কে আটক করলো পুলিশ্।
বল্টুঃ অনেকেই ত দুরুত বেগে গাড়ি চালাচ্ছে,তাদের কে না ধরে আমাকে কেন?
পুলিশ্ঃ আপনি কি কখোনো মাছ ধরেছেন্?
বল্টুঃ হ্যা ধরেছি, কেন?
পুলিশ্ঃ কখোনো কি কাওকে একসাথে সব মাছ ধরতে দেখেছেন্? 

Tuesday, August 2, 2011

জোকস নং ২৪০


প্রেমিকাঃ জানু এবার ভাল করে দেখে বল না আমার শরীর এর কোন অংশ সবচেয়ে সুন্দর?

প্রেমিকঃ হুম, সেটা হল এমন একটা জিনিষ যেটা দেখতে নারিকেলের মত গোল। তার ভিতর আরো দুইটা বৃত্ত আছে, বৃত্ত এর উপর ডট।
প্রেমিকাঃ সেটা কি তারাতারি বল না?
প্রেমিকঃ সেটা হল তোমার চোখ।

জোকস নং ২৩৯


আবুইল্লা গেল কমিশনারের কাছে চারিত্রিক সনদপত্র আনতে।
আবুইল্লা : কমিশনার সাহেব বাসায় আছেন ?
-:
কেন?
আবুইল্লা : আমার একটা চারিত্রিক সার্টিফিকেট দরকার |
-:
তিন মাস পরে আসেন, উনি নারীঘটিত কেসে ছয় মাসের জন্য জেলে আছেন।

¤ জোকস নং ২৩৮। ¤


বিদেশের এক রেস্টুরেন্ট। তিনজন বাবুর্চি সেখানে কাজ করে। একজন চাইনিজ, একজন জাপানিজ আরেকজন বাংলাদেশী। তিনজনের ভিতর খুব রেষারেষি। একদিন একটা মাছি ঢুকছে কিচেনে। সাথে সাথে চাইনিজটা একটা ছুরি নিয়া এগিয়ে গেলো। কিছুক্ষন সাইসাই করে চালালো বাতাসে। মাছিটা পরে গেলো চার টুকরা হয়ে। সে বাকি দুইজনের দিকে তাকিয়ে বলল, " এইভাবে আমরা আমাদের শত্রুদের চার টুকরা করে ফেলি।" আরেকদিন মাছি ঢুকতেই জাপানিজটা এগিয়ে গেলো। সাইসাই করে ছুরি চালালো। মাছি আট টুকরা হয়ে গেলো। সে বাকি দুইজনের দিকে তাকিয়ে বলল, " এইভাবেই আমারা আমাদের শত্রুদের আট টুকরা করে ফেলি।" পরেরদিন মাছি ঢুকছে একটা। বাংলাদেশীটা এগিয়ে গেলো। বেচারা অনেকক্ষন ছুরি চালালো। হাপিয়ে গিয়ে এক সময় চলে এলো। বাকি দুইজন বলল- কি তোমরা তোমাদের শত্রুদের কিছুই করো না? -হুমমমম...তোরা বুঝোস না কিছুই। এমন কাম করছি যে অই মাছি আর কোনোদিন বাপ হইতে পারবো না।

জোকস নং ২৩৭

ছোট বাবুদের ক্লাসে ঢুকে মিস দেখলেন, বোর্ডে ক্ষুদে হরফে পুরুষদের বিশেষ প্রত্যঙ্গটির কথ্য নামটি লেখা। ভীষণ চটে গিয়ে চেঁচিয়ে উঠলেন তিনি, ‘কে লিখেছে এটা?’ কেউ উত্তর দিলো না। মিস তড়িঘড়ি করে সেটা ডাস্টার দিয়ে ঘষে মুছে ফেললেন। পরদিন আবার ক্লাসে একই কান্ড, এবার শব্দটি আরেকটু বড় হরফে লেখা। আবারও ক্ষেপলেন মিস, ‘কে লিখেছে এটা?’ কেউ উত্তর দিলো না। মিস আবার সেটা ডাস্টার দিয়ে ঘষে মুছে ফেললেন। পরদিন আবার ক্লাসে একই কান্ড, এবার শব্দটি আরো একটু বড় হরফে লেখা। মিস কিছু না বলে শুধু ডাস্টার ঘষে মুছে দিলেন লেখাটা। তার পরদিন আবারও একই কান্ড, এবার গোটা বোর্ড জুড়ে শব্দটি লেখা। মিস বহুকষ্টে মেজাজ ঠিক রেখে ডাস্টার ঘষে লেখাটা মুছলেন। তার পরদিন ক্লাসে এসে মিস দেখলেন, বোর্ডে লেখা: যত বেশি ঘষবেন, এটা ততই বাড়বে।

জোকস নং ২৩৬

প্রবাসী স্বামী তার স্ত্রীকে লেখা চিঠিতে লিখেছে, সুইট হার্ট, আমি এই মাসের বেতনের টাকা পাঠাতে পারছিনা, তাই তোমাকে ১০০ Kiss পাঠালাম। ইতি তোমার স্বামী (অমুক)। তার বউ কিছুদিন পর সে চিঠির উত্তর দিল এভাবে, প্রিয় সুইট হার্ট, তোমার পাঠানো Kiss গুলোর বিস্তারিত জানাচ্ছি।
১। দুধ ওয়ালা ২টা Kiss বিনিময়ে এক মাসের জন্য দুধ দিতে রাজি হয়েছে।
২। বিদ্যুত বিলওয়ালা ৭টা Kiss এর বিনিময়ে শান্ত হয়েছে।
৩। বাড়ি এয়ালাকে প্রতিদিন দুইটা কিংবা তিনটা Kiss দিতে হচ্ছে।
৪। সুপার মার্কেট মালিক শুধু Kiss তেই মানি রাজি নয়, তাই… (সেন্সর)
৫। আর অন্যান্য খাতে ব্যায় হয়েছে ৪০ টি Kiss।
আমার জন্য কোন চিন্তা করো না। বাকি রয়েছে ৩৫ টি Kiss। আমি আশা করছি সেগুলোও এই মাসেই ব্যাবহার করতে পারবো
Posted on our wall by  “Mahadi Hasan"