Wednesday, June 29, 2011

জোকস ১১৭


এক লোক বিয়ে করল এক মহিলা ট্রাফিক পুলিশকে। বাসর রাতের পর সকালে লোকটির বন্ধু জানতে চাইল যে বাসর রাত কেমন ছিল লোকটি জবাব দিল, "জোরে চালানোর জন্য ১০০টাকা, wrongসাইডের কারনে ২০০টাকা, আর হেলমেট না থাকার জন্য ৫০০টাকা ফাইন করছিল।
বন্ধু: তুই কী করলি?
লোক : যা করার তাই করছি। ২০০টাকা ঘুষ দিয়া পার পাইছি.

জোকস নং ১১৬


বল্টুর সাথে জরিনার প্রেম ছিল। জরিনা একদিন বল্টুকে দাওয়াত দিল, আর বললঃ “আজ আসিয়ো আমাদের বাড়িতে, মা-বাবার সাথে তোমার পরিচয় করাইয়া দিবো, তারপরে রাতে আমরা……….......... বল্টুতো খুশিতে বাকবাক। তখনি ছুটে গেল ডাক্তারের দোকানে কনডম কিনতে। দোকানদার বেডা বল্টুর খুশি দেখে পাম-পট্টি দিয়ে পুরা ফ্যামিলি প্যাক গছায় দিল। লাফাইতে লাফাইতে বল্টু সন্ধ্যায় গিয়ে হাজির হল মেয়ের বাড়িতে। শ্বশুর-শ্বাশুড়ীর (হবু) সামনে গিয়ে ছেলে সালাম দিয়ে সেইযে মাথা নিচু করল, মাথা উচুই করেনা, আধাঘন্টা পার হয়ে গেল, মাথা আর উঠেনা। হবুদের উপর সম্মান দেখে জরিনা তো আহলাদে গদগদ। বল্টুর কানের কাছে ফিসফিস করে বলল, তুমি আমার বাবা-মারে সম্মান করো জানতাম, কিন্তু এত সম্মান করো তাতো জানতাম না। বল্টু রাগে রাগে উত্তর দেয়, সেইডা ঠিক আছে, কিন্তু আমিও তো জানতাম না, তোমার বাপে কনডম বেচে।

জোকস ১১৫


এক মহিলার স্বামী ঢাকার বাইরে চাকরি করে এবং মাঝে মাঝে বাসায় আসে। একবার মহিলা গেল তার স্বামীর কাছে বেড়াতে। স্ত্রী বেড রুমে বসে আছে এমন সময় স্বামী একটা ভেড়া নিয়ে ঘরে ঢুকলো এবং বলতে লাগল,"এই সেই জানোয়ার যাকে আমি তোমার অবর্তমানে ব্যবহার করতাম।"
স্ত্রী : ছি!তুমি ভেড়ার সাথেও সেক্স করো?
স্বামী : সরি। আমি তোমার সাথে না এই ভেড়াটার সাথে কথা বলছি।

জোকস নং ১১৪


একজন শিক্ষক তার ছাত্রীকে পড়াচ্ছে। যাতে সব কিছু মনে থাকে সে জন্য সে ছাত্রীকে বলেছে প্রতিটি জিনিস দুই বার করে লিখতে। সে শিক্ষক আবার ভদ্র ভাষায় কথা বলে। তাই সে বলেছে : দুদু বার করে লিখ। বেচারা ভদ্র ভাষায় কথা বলার দায়ে প্রাইভেট হারাইছে।

জোকস ১১৩


বাসর রাতে করার পূর্ব মুহূর্তে : স্ত্রী: আমার খুব ভয় করছে .
স্বামী:ও কিছু না। তোমার প্রথম রাত তো তাই .
স্ত্রী: না ঠিক তা নয়...
স্বামী : তাহলে?
স্ত্রী : এইটা রাত্রে আমার প্রথমবার।

জোকস নং ১১২


টিচার : এমন এক প্রজাতির প্রাণীর নাম বল যারা আকাশে উড়ে কিন্তু বাচ্চা দেয় মাটিতে।
আবির : এয়ারহোষ্টেজ !

জোকস ১১১


রসা: (ফার্মেসী তে গিয়ে)ভাই এক প্যাকেট কনডম দ্যান।গার্লফ্রেন্ড রে গিফট দিমু।
লোক: প্যাকেট করে দিব??
রসা: আরে না মিয়া। এইটাই তো প্যাকেট। গিফট তো আমার কাছে।

জোকস নং ১১০


দুই পিচ্চি খেলতেছে। সভাবতই দুই টার ই প্যান্ট নাই। হঠাৎ মেয়ে পিচ্চিটা ছেলে পিচ্চিটার ওইটা ধরে টানতে লাগলো। তখন ছেলে পিচ্চিটা মন খারাপ করে বললঃ টানো আরো বেশি করে টানো, নিজেরটা তো ছিরছো এখন আসছো আমারটা ছিরতে !

জোকস ১০৯


খ্যাচাঁ মিয়ার বড় ছেলেকে একদিন খ্যাঁচা মিয়া খেঁচতে দেখলো। সে বুজতে পারলো ছেলের বিয়ের ইচ্ছা জাগছে। এর একমাস পর ছেলেকে বিয়ে করালো। বিয়ের এক সপ্তাহ পর ছেলেকে ডেকে জিজ্জাসা করলো, "কিরেবেটা,সব ঠিকভাবে চলে তো??" ছেলে : কঁচু ঠিক হ্ইছে। আগে আমি টানা ২০মিনিট খেঁচতে পারতাম। কিন্তু এখন আমার বৌয়ের হাত তো ৫মিনিটেই ব্যাঁথা হয়া যায়।

জোকস নং ১০৮


সুন্দরি সেক্সি নার্স ডাক্তার কে বলছে-- স্যার ১৭ নম্বর কেবিনের রোগীর কিছুই বুঝতে পারছি না। আমি যতবারই তার পালস দেখতে যাই ততবারই দেখি পালস ক্রমাগত বাড়ছে। কি করা যায় স্যার, বলুন তো....।
ডাক্তার: তেমন কিছু করতে হবে না শুধু আপনি এরপর যখন তার পালস দেখতে যাবেন। দয়া করে বুকের বোতাম লাগিয়ে যাবেন |

জোকস ১০৭


এটা এমন এক জিনিস যেটা ভিতরে যাওয়ার আগে শুকনা থাকে আর ভিতরে গিয়ে ভিজে যায়।বাইরে থাকতে ছোট থাকে,ভিতরেগিয়ে বড় এবং মোটা হয়ে যায়।কিন্তুবাইরে রের করলে আবার ছোট হয়ে যায়।এটা ভিতরে পুরো জায়গা লাল করে দেয়।ভাল কাজ পাওয়ার জন্য এটাকে বারবার ভিতর বাহির করতে হয়।বলেন তো কী?.
.
.
.
.
.
.
..
...
.... 
.........উত্তর : ইস্পাহানি টি ব্যাগ।

জোকস নং ১০৬


আলতো করে ধরুন। আস্তে করে দুটি আঙ্গুল ভিতরে ঢুকান। যদি বেশি বড় হয় তবে তিনটি আঙ্গুল ঢুকাতে পারেন। দেখে নিবেন এটা যেন ভেজা থাকে, এবার আস্তে করে উপর নিচে ঘষতে থাকুন।. . . . . . . . . . 
. . . , .. . . .
 
. . . . . . . . . . .
 
. . . . . . . . .
 
. . . . . . . . . . .
 
. . . . . . . . .
 
হ্যা এভাবেই কাপ পরিষ্কার করতে হয়।

জোকস ১০৫


স্ত্রী: বিয়ের আগে আমার ফিগার টা কি সুন্দর ছিল! একদম কোকের বোতলের মত.
স্বামী : এখনও তো আছে। আগে ছিল ২৫০ ml বোতল আর এখন ২.১৫ ltr বোতল। আর এই কয় বছরে তোমার ভিতরে যে পরিমান কোক ঢালা হ্ইছে তাতে যে তুমি ৫ লিটারের পানির বোতল হয়া যাও নাই এইটাইতো কপাল।

জোকস নং ১০৪


কনডম ফেটে দূর্ঘটনা এড়াতে একটা কনডম পরে তার উপর মরিচের গুড়া দিয়ে আরেকটি কনডম পরুন। বাইরের টা ফাটলে মেয়ে টের পাবে আর ভিতরের টা ফাটলে ছেলে।

জোকস ১০৩


এক মহিলা গেল বাবা টাশকি শেখের কাছে . মহিলা:বাবা, আমার স্বামীর আয় উন্নতি কি কোন দিন ই বাড়বে না?
বাবা: তোর স্বামীকে সাথে এনেছিস?
মহিলা: না.
বাবা :ব্লাউজ খোল .
মহিলা :কেন?
বাবা:তোর স্বামীর হাতের রেখা দেখবো

জোকস নং ১০২


বল্টুর সব কিছুই ঠিক ছিল। জুলির সাথে অনেক দিন প্রেম করার পর ও তাকে বিয়ে করতে যাচ্ছে। জুলির পরিবারও ওকে মেনে নিয়েছে। বিয়ের দিন তারিখও মুটামুটি ঠিক। কিন্তু সমস্যা এক জায়গাতেই। তা হলো জুলির ছোট বোন টিশা। টিশা ভীষণ সুন্দরী আর সেক্সি! যদিও জুলিও কম সুন্দরী না। কিন্তু টিশা বল্টুকে দেখলেই কেমন যেন করে বলে বল্টুর মনে হয়! যেমন ইচ্ছা করে বুক, পা বের করা, ইংগিত দেয়া এসব আর কি! টিশা কিন্তু আর কারো সামনে এমন করে না। যাই হোক, এটা নিয়ে বল্টু একটু অস্বস্তিতেই ছিল। বল্টুর অস্বস্তি আরো বেড়ে গেলো যখন ও একদিন জুলিদের বাসায় গিয়ে দেখলো যে ওখানে টিশা ছাড়া আর কেউ নেই। এবার টিশা সরাসরি ওকে বলেই ফেললো, "তোমাকে আমার ভালো লাগে! যেহেতু আপুর সাথে তোমার বিয়ে হতে যাচ্ছে তাই তোমাকে চিরদিনের মতো করে পাবার উপায় নেই। কিন্তু তোমার বিয়ে হবার আগে আমি তোমাকে একবারের জন্য কাছে পেতে চাই! আমি উপরের তলায় অপেক্ষা করছি।" এই বলে টিশা উপরে চলে গেলো এবং উপর থেকে নিজের প্যান্টি খুলে ছুড়ে ফেললো! বল্টুর মাথা ঘুরতে লাগলো! সে কোন দিকে না তাকিয়ে মূল দরজা খুলে বের হয়ে গাড়ির দিকে হাঁটতে লাগলো। একটু এগোবার পর সে .দেখলো তার হবু শ্বশ্বুর ও জুলি দাঁড়িয়ে আছে! তারা দু জনেই বল্টুকে জড়িয়ে ধরলো! বল্টুর হবু শ্বশ্বুর বলতে লাগলো, "আমি আজ খুব খুশি! তোমার সততা পরীক্ষা করার জন্য আমরা টিশাকে দিয়ে এই নাটকটি করিয়েছিলাম! তুমিই জুলির উপযুক্ত পাত্র!" বল্টু একটু হতভম্ব হয়ে ভাবতে লাগলো, "যাক আজকের ঘটনা থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস শিখলাম। ভুলেও কনডম কখনও মানিব্যাগে রাখা যাবেনা! কনডম রাখার জন্য গাড়ির গ্লভস্ই উপযুক্ত জায়গা !!"

জোকস ১০১


"খ্যাঁচা এন্ড সন্স ইলাস্টিক ব্রা"এর বিজ্জাপন;প্রত্যেক দুগ্ধ সচেতন নারীর পছন্দ।টানলে বাড়ে।আমাদের ব্রা পাঁচ ধরনের:
১.ছোট
২.মাঝারি
৩.বড়
৪.ওরে বাপ রে
৫.ফাইটা যাইতেসে রে

জোকস ১০০


এক লোক হঠাত্‍ দুপুর বেলা অফিস থেকে বাড়ি ফিরলো।বেড রুমে ঢুকে দেখে তার স্ত্রী আর অপরিচিত এক লোক সম্পূর্ন নগ্ন অবস্হায় খাঁটে শুয়ে যৌনকর্ম করছে।স্ত্রী জোরে জোরে চিত্‍কার করছে।দেখে লোকটির মাথা গরম হয়ে গেল।সে চেচিয়ে উঠলো"তোমরাকি করছ?"অপরিচিত:গান শুনিলোক:(দৌড়ে গিয়ে তার স্ত্রীর বুকে মাথা রেখে)ক্ই আমি তো শুনছি না?অপরিচিত:আপনি তো হেডফোনের প্লাগ ই দেন নাই।শুনবেনকেমনে?

Tuesday, June 28, 2011

জোকস ৯৯


“বাবা, আমি কিভাবে জন্মেছি?” ছেলের প্রশ্ন, 
বাবা, “ তোমার আম্মা আর আমি ইয়াহুতে পরিচিত হয়েছি। আমরা ই-মেইলের মাধ্যমে ডাটা ট্রান্সফার করি। এরপর সাইবার ক্যাফেতে দেখা করি। তোমার আম্মা ওখানে আমার হার্ড ডিস্ক স্লটে ঢুকাতে বলে, যে মুহুর্তে আমি আপলোড করবো ঠিক তখনই মনে পড়লো আমাদের কারো ফায়ার ওয়াল ইন্সটল করা নাই, ততক্ষনে ডিলিট চাপার সময়ও শেষ। ৯ মাস পর একটা পপ আপ আসে, ওটা তুমি”

জোকস ৯৮


খ্যাচা মিয়া ও তার স্ত্রী আঙ্গুলি বেগম হানিমুনের জন্য গেল এক বিদেশী হোটেলে।হোটেলের পরিবেশ তাদের খুব পছন্দ হল।একদিন খ্যাঁচা মিয়া কে এক মেয়ে জানতে চাইল যে তার কিছু লাগবে কি না।খ্যাঁচা মিয়া এক রাতের জন্য খরচ জানতে চাইলে মেয়েটি বলল"১৫০ডলার"।খ্যাঁচা বলল যে সে ২৫ডলার এর বেশী দিতে পারবে না।মেয়েটি কিছু না বলে চলে গেল।
আঙ্গুলি বেগম খ্যাঁচা মিয়ার সাথে মেয়েটির কি কথা হয়েছে তা জানতে চাইলে খ্যাঁচা বলল"আমাদের কোন অসুবিধা হচ্ছে কিনা তা জানতে চাইল।"
রাতে যখন খ্যাঁচা এবং আঙ্গুলি নিচে গিয়ে রাতের খাবার খাচ্ছিল তখন ঐ মেয়েটির সাথে খ্যাঁচার আবার দেখা হল।মেয়েটি খ্যাঁচার কাছে এসে র্ভত্‍সনা করে বলল"২৫ডলারে কি পেয়েছো দেখলে?"