Friday, December 16, 2011

জোকস নং ৪১৭


এক গ্রামে বন্য হাতি ঢুকে সব লন্ড ভন্ড করে ঘর বাড়ি ভেঙ্গে তছনছ করে কলাগাছ সব খাওয়া শুরু করলো ।গ্রামের সবাই হাতি তাড়াতে ব্যস্ত এই ফাকে এক কিশোরি বালিকা দৌড়ে চেয়ারম্যানের কাছে খবর দিতে গেল ।কিন্তু বিপদের কথা হলো এই কিশোরী আগে কখনো হাতি দেখে নাই । সে গিয়ে চেয়ারম্যান কে উত্তেজিত গলায় বলছে -
-
চেয়ারম্যান সাব , সর্বনাশ হইছে !! বন থেকে এক অদ্ভুত ইয়া বড় জন্তু গ্রামে ঢুকে গেছে ।
-
তাই নাকি !! কিরকম দেখতে জন্তুটা ?
-
ইয়া উঁচা ... আর একটা ইয়া মোটা লেজ সেই লেজ দিয়ে সে সব কলা গাছ উপড়ে ফেলছে...
-
তারপর!!!
কিশোরি এবার মুখ কান লাল করে লাজুক ভঙ্গিতে বললো -- যাহ !.. তারপর সেই কলাগাছ দিয়ে কি করছে সেটা বলতে আমার লজ্জা করছে !

জোকস নং ৪১৬


স্যার : তুমি বড় হয়ে কি করবে?
ছাত্র : বিয়ে।
স্যার : আমি বুঝাতে চাচ্ছি বড় হয়ে তুমি কি হবে ?
ছাত্র : জামাই।
স্যার : আরে আমি বলতে চাচ্ছি তুমি বড় হয়ে কি পেতে চাও ?
ছাত্র : বউ।
স্যার : গাধা, তুমি বড় হয়ে মা বাবার জন্য কি করবে?
ছাত্র : বউ নিয়ে আসবো।
স্যার : গর্দভ, তোমার বাবা মা তোমার কাছে কি চায় ?
ছাত্র : নাতী নাতনী।
স্যার : ইয়া খোদা...তোমার জীবনের লক্ষ্য কি?
ছাত্র : বিয়ে..
স্যার অজ্ঞান.....

জোকস নং ৪১৫


মেয়েদের চুল সবচেয়ে বেশী কোঁকড়া হয় কোথায়?

আপনাদের বুদ্ধির দৌড় জানা আছে। এত সহজ নয়, ফোনেটিকে 'সহজ' লেখার মতই কঠিন।

কোন জায়গার কথা ভাবছেন? আরে বললাম না, এত সোজা না।
নিচে নামতে হবে।
নেমেছেন? আরও নামুন। 
.
.
>
আরেকটু……………..
কি ? পেয়েছেন উত্তর ? 
লজ্জা পাবার কি আছে?
.
.
জায়গাটার নাম: আফ্রিকা। 
ওখানে কি ছেলে কি মেয়ে, সবার চুলই বেশ কোঁকড়ানো থাকে।

জোকস নং ৪১৪


এরোপ্লেনে এক সুন্দরী এয়ার-হোস্টেজ কে এক যাত্রী : আপনার নাম কি ??
এয়ার-হোস্টেজ : ইভা বেঞ্জ।
যাত্রী : চমৎকার নাম ! মার্সিডিজ বেঞ্জ এর সাথে কোন ভাবে সম্পর্ক আছে ??
এয়ার-হোস্টেজ : (মৃদু হেসে) হ্যা আছে! 'Same Price!’

জোকস নং ৪১৩ (১৮+)


একবার ঘুরতে বেড়িয়ে তিন বন্ধু একটা হোটেলে গিয়ে উঠলো। কিন্তুজায়গা না পেয়ে একই রুমে একটি খাটে ঘুমাতে হলো। 
সকালে ঘুমথেকে উঠে যে বন্ধুবাম পাশে শুয়ে ছিল সে বলে উঠল, ‘আমি রাতে দারুন স্বপ্ন দেখেছি। দেখি একটা মেয়ে আমার পুরুষাঙ্গে হাত দিয়ে আদর করে দিচ্ছে।’
ডান পাশের বন্ধুটি বলল, ‘আজব! আমিও তো তাই দেখেছি। যা মজা লেগেছে রে!’
তখন মাঝের বন্ধুটি বলে উঠল, ‘ইশ! তোদের কি ভাগ্য! আমি স্বপ্নে দেখেছি একটা পুরোনো গাড়ি চালাচ্ছি, আর গাড়ীটার দুটা গিয়ার ২ হাতে ধরে সমানে চেঞ্জ করছি। আর ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার ২ হাতে গিয়ার অয়েল লেগে আছে!’

জোকস নং ৪১২ (১৮+)


একদিন এক মেয়ে ছোট কাপড় পরে স্কুলে গেলো !!!
শিক্ষক তার ছোট কাপড় দেখে প্রশ্ন করলেনঃ  “আজকে ছোট জামা পড়ে আসার মানে কি ?”
তখন মেয়েটি উত্তর দিলোঃ “স্যার, আজকে তো হাফ স্কুল তাই হাফ জামা পড়ছি !!”…
এ কথা শুনে সব ছেলেরা গোবেচারার মত বলে উঠলোঃ “স্যার প্লিজ একদিন বন্ধের দিনেও একটা ক্লাস নেন না!!”
▐▐ ▬▬►এই ছাত্রদের মতই যদি আপনার ইচ্ছা হয়ে থাকে তাইলে লাইক মাইরা বুঝাইয়া দেন।

জোকস নং ৪১১


পোস্ট অফিসের লোকেরা প্রাপকের ঠিকানা ছাড়া একটি চিঠি পেল। চিঠি খোলার পর দেখা গেল এক লোক ঈশ্বরের কাছে ১০০০ টাকা চেয়ে চিঠি লিখেছে। পোস্ট অফিসের লোকদের মনে দয়া হল। তারা নিজেদের মধ্যে চাঁদা উঠিয়ে ঐ লোকের ঠিকানায় ১০০ টাকা পাঠিয়ে দিল। এর কয়েক দিন পর ঠিকানা বিহীন আবার একটি চিঠি পাওয়া গেল। প্রাপক পূর্বের সেই লোক। খোলার পর দেখা গেল সেই লোক ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানিয়ে চিঠি দিয়েছে -আপনার পাঠানো টাকা আমি পেয়েছি। তবে এর পর থেকে টাকা পাঠালে দয়া করে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পাঠাবেন। আমাদের দেশের পোস্ট অফিসের অবস্থাতো আপনি জানেন। আমার ধারণা আপনার পূর্বের পাঠানো ১০০০ টাকা থেকে ৯০০ টাকা পোস্ট অফিসের লোকেরা মেরে দিয়েছে। আমি শুধু ১০০ টাকা পেয়েছি।

জোকস নং ৪১০ (১৮+)


এক ফ্যাক্টরীতে নোটিশবোর্ডে বড় করে নোটিশ ঝোলানোঃ “মহিলারা নিজ নিজ দায়িত্বে পোশাকের লম্বত্ব নির্ধারন করুন। বেশী লম্বা পোশাক মেঝেতে পরে থাকা ক্যামিকেল দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে, আর কম লম্বা পোশাক পড়লে ক্যামিকেল ইঞ্জিনিয়ার দের দ্বারা আপনি ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারেন”

জোকস নং ৪০৯ (১৬+)


খেঁচা মিয়ার জন্মের আগের কথা। খেঁচা মিয়ার বাপের প্রথম সন্তান মেয়ে। পরেরটা ছেলে হবে এই আশায় ঘরে উলঙ্গ পুত্র শিশুর পোষ্টার লাগিয়ে ভরে ফেলেছে পুরা দেয়াল। তা দেখে ৩ বছরের কন্যাটি তার বাবা কে জিজ্ঞেস করছে, “বাবা, বাবা, এই বেবীটার সামনে লেজ আছে, আমার নাই কেন? ”

জোকস নং ৪০৮ (১৮+)


নারীদের কম্পিউটার এর সাথে তুলনা করা যায়! 

1.
সঠিক বাটনগুলো চাপলে এবং ঠিক জায়গায় ক্লিক করলে এরা নিজেরাই সয়ংক্রিয়ভাবে আপনার বিনোদনের ব্যবস্থা করতে পারে,

নারীদের কম্পিউটার এর সাথে তুলনা করা যায়........

কারন প্রোটেকশন না থাকলেই তাদের দেহে ভাইরাস ঢুকিয়ে দেওয়া যায়.........

জোকস নং ৪০৭ (১৮+)


প্রশ্ন- বলেন তো নিউটন কেনো একটা নগ্ন মেয়ে কে দেখলে ১০০০ ভোল্ট এর শক খাবে ?

উত্তর - কারন তখন তার পেনিস (penis) টা উপরের দিকে উঠতে থাকবে , যেটা তার "law of gravity" সূত্রের বিপরীত্। 

জোকস নং ৪০৬ (১৬+)


বল্টু স্কুল থেকে এসে খেঁচা মিয়াকে বলছে, "বাবা, বাবা আজকে না স্কুলে এক নতুন ম্যাডাম আসছে। ম্যাডামটা না একটা মাল!!!
খেঁচা মিয়া: চুপ কর বেয়াদব ম্যাডাম মায়ের মত।
বল্টুঃ হ্যাঁ , হ্যাঁ , খালি নিজের কথাই ভাব!!!

জোকস নং ৪০৫ (১৮+)


মলি আন্টি সাথে তার দু বান্ধবী জলি ও পলি আন্টি ব্যালকনিতে বসে বৈকালিক খোশগল্প করছেন।পলি আন্টি ভীষণ মুখরা আর যাচ্ছেতাই স্বভাবের। চা এ মুখ দিতে দিতে তিনি বললেন, “আমার হাজব্যান্ড মকবুলকে যখন আমি কষে একটা ব্লো- দেইনা, আহাহাহা…মনে হয় তার ইয়েটা যেন ঠাণ্ডা আইসক্রিম।”
“হুম”, চায়ের কাপটা মুখ থেকে নামিয়ে তাল ধরলেন জলি আন্টি। “একই ব্যাপারটা আমার জামাই, মানে তোমাদের মজনু ভাইয়ের ক্ষেত্রেও আমার মনে হয়, একেবারে ঠান্ডা।”
পলি আন্টি পাশে তাকিয়ে বললেন, “কী হে মলি, তোমার বেলায় ঘটনা কেমন?”
মলি আন্টি অপ্রস্তুত হয়ে গেলেন যেন। “ছিঃ, বলছ কি! আমি মোতালেবের ওটা মুখে নেবার কথা চিন্তাই করিনা।”
কথাটা শুনে জলি আর পলি আন্টি পরস্পরের দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকালেন। “বলে কী মহিলা।” বললেন জলি আন্টি। “এত ইন্টেরেস্টিং একটা বিষয় তুমি মিস করো!!”
“
শোনো মলি” পলি আন্টি বললেন। “শুনেছি মোতালেব ভাই প্রায়ই তোমার সাথে খ্যাটখ্যাট করে। এবার কারণটা বুঝেছি। কারণ তুমি ওনাকে ব্লো- দাওনা। সকল পুরুষই আসলে তাদের স্ত্রীর কাছ থেকে মৌখিক আদর আশা করে। একবার শুধু করে দেখো, দেখবে ভাইসাহেবও তোমাকে কেমনটা না আদর করেন।”পরের দিন বিকেলে, মলি-পলি-জলি আন্টি আবারও ব্যালকনিতে ফের জমায়েত হয়েছেন। মলি আন্টির ডান চোখ ঘিরে লালচে দাগ। পলি আন্টি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “কী হে, তোমার চোখের চারপাশটায় এরকম দাগ কেন?”
-”
তোমার কথামত কাজটা করতে গিয়ে মোতালেবের ঘুষি খেয়েছি।”
“
ড্যাম ইট!!” চেয়ার চাপড়ে বললেন জলি আন্টি। “উনি কি পাগল নাকি? শুধু শুধু তিনি ঘুষি মারতে গেলেন কেন? নাকি তুমি কোনো কামড়ে দিয়েছিলে?”
“
আরে ধুর না।” বললেন মলি আন্টি “আমি শুধু জিপারটা নামিয়ে ওটাকে মুঠ করে ধরে বললাম, ‘মকবুল ভাই আর মজনু ভাইয়েরটা তো ঠান্ডা, তোমারটা এতো গরম কেন?’ “

জোকস নং ৪০৪


একদা ওবামা , মনমোহন ও হাসিনা তিন দেশের শক্তি নিয়ে ইন্টারন্যাশনাল মিটিং ডাকলেন, 
ওবামা: আমাদের কাছে 1.Maddona, 2.Angelina, 3.Shakira তিনটা হাই ফাই Bomb আছে । আপনাদের কাছে কি আছে?
মনমোহন: আমাদের কাছে বিশ্ব বিখ্যাত ১.মুন্নি, ২.শিলা, তো আছেই তাছাড়াও প্রফেশোনাল Bomb Diffuser ইমরান হাসমি তো আছেই !
এবার বাংলাদেশের কি আছে এটা বলার পালা কিন্তু হাসিনা কি বলবে বুঝতাছে না ।
এমন সময় মাথায় বুদ্ধি আসলো তাই একটু মিটিমিটি হাসি দিয়ে পুরাই উরা ধুরা জবাব দিলেন,
হাসিনা: আমাদের কাছে "P" এর পাওয়ার আছে !
ওবামা ও মনমোহন উভয়েই অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করলো "P" এইটা আবার কি জিনিস ?
হাসিনা স্মার্টলি উত্তর দিলেন,
P for PROVA
P for PORIMAL
P for PERSONA

জোকস নং ৪০৩ (১৮+)


*প্রশ্ন- একটা মেয়ে যখন ৩ টা ছেলের সাথে বিছানায় শোয় তখন সবাই তাকে পতিতা বলে, কিন্তু একটা ছেলে যখন ৭-৮ টা মেয়ের সাথে শোয় তখন সবাই তাকে আসল পুরুষ বলে, কিন্তু কেনো?

উত্তর - ব্যাপারটা আসলে এরকম্, যখন একটা তালা ৩ টা চাবি দিয়ে খুলে তখন সেটা খারাপ তালা আর যখন একটা চাবি দিয়ে ৭-৮ টা তালা খুলে তখন সেটা মাস্টার কী (MASTER KEY) ।

জোকস নং ৪০২


ফেসবুক সম্পর্কিত নিউটনের অপ্রকাশিত সূত্র:
1. প্রত্যেক রিয়েল আইডির একাধিক মাল্টি/ফেক আইডি আছে ,
2. একজন ছাত্রের ফেসবুকেতে কাটানো সময় তার পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ব্যস্তানুপাতিক...অর্থাত্‍ ফেসবুকেতে ব্যয়িত সময় যত বেশি হয়, পরীক্ষার নম্বর তত কম হয়,
3. মেয়েদের স্ট্যাটাসে পরা লাইক/কমেন্ট=ছেলেদের স্ট্যাটাসে পড়া লাইক/কমেন্ট X11,
4. কোন মেয়ের ছবিতে ছেলেদের 'তেল মারা' কমেন্ট অবশ্যই থাকবে এবং ছবি যত সুন্দর হবে তেলের পরিমাণ তত বাড়বে,
5.
ফ্যান পেজগুলোয় কোন জোকস সৃষ্টি বা ধ্বংস হয় না; একই জোকস্ কেবল এক পেজ থেকে অন্য পেজে বিভিন্ন রুপে রূপান্তরিত হয়,
**
যদি কেউ বলেন এটি COPY করা তাহলে তাকে 5 নং সুত্রের দিকে নজর দিতে বলব।

জোকস নং ৪০১


এক অন্ধ লোক টেক্সাসে বেড়াতে গেছে। ট্রেনে সিটটাকে অনুভব করে পাশের যাত্রীকে সে বললো, ট্রেনের সিটটা তো নরমাল ট্রেনের চেয়ে বড়! পাশেরজন জবাব দিলো, টেক্সাসে সবকিছুই বড়। হোটেলে ওঠার পর লোকটি বারে গেলো কিছু পান করতে। অনুভব করে বুঝলো গ্লাসটা অনেক বড়। সে বললো, গ্লাস তো আসলেই বড়! 
বারটেন্ডার জবাব দিলো, টেক্সাসে সবকিছুই বড়।
একটু পর লোকটির বাথরুমে যাবার প্রয়োজন হলো। বারটেন্ডারকে জিজ্ঞেস করতেই সে টয়লেটে যাবার দিকনির্দেশনা দিয়ে দিলো।
অন্ধ লোকটি কিছুদূর ঠিকমতো গিয়ে এক জায়গায় ভুল মোড় নিয়ে নিলো আর সোজা গিয়ে পড়লো হোটেলের সুইমিং পুলে। ভয়ে আতঙ্কে চেঁচিয়ে উঠলো সে, 'কেউ ফ্লাশ কোরো না, ফ্লাশ কোরো না।
'

Saturday, December 3, 2011

গোপাল ভাড়েঁর কৌতুক ৫।

গোপাল ভাঁড় একবার তার ছেলেকে নিয়ে মেলায় বেড়াতে গিয়ে ছেলেকে হারিয়ে ফেলে। ছেলে তখন একটুও না ঘাবড়ে ‘গোপাল, গোপাল’ বলে চেঁচাতে থাকে। ছেলের চিৎকার শুনে গোপাল ছুটে এসে ধমক দেয় ছেলেকে, ‘ছিঃ ছিঃ, আমার নাম ধরে ডাকছিস, বাবা বলে ডাকতে পারিস না?’
ছেলে তখন বলল, ‘হুঁ, বাবা বলে ডাকি আর মেলার সব লোক ছুটে আসুক!’
:p
.
.
Hit like and share if u get fun.