Saturday, March 31, 2012

জোকস নং ৬৯০ (18+)


খ্যাচাঁ মিয়া ও তার স্ত্রীর sex এর secret code হলো ” পরোটা ভাজি.”
প্রতিদিন সকালে খাবার টেবিলে খ্যাচাঁ মিয়া, তার স্ত্রী ও তাদের ৫ বছরের বাচ্চা একসাথে খেতে বসে।
খ্যাচাঁ মিয়া প্রতিদিন সকালে তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করে, ” কাল রাতে কয়টা পরোটা ভাজলাম?”
তার স্ত্রী কখনো উত্তর দেয় ৩টা, কখনো ৪টা, কখনো ৫টা,৬টা,৭টা ।
একদিন সকালে তার স্ত্রী বলল ৫টা।
কিন্তু খ্যাচাঁ মিয়া বলল ৪টা।
তারা কিছুতেই এই বিষয়ে এঁকে অপরের সাথে একমত না।এই নিয়ে তাদের মধ্যে মহা তর্ক শুরু।
তাদের ১৭ বছরের একটা কাজের ছেলে ছিল। 
তখন ছেলেটি খাবার টেবিলে নাস্তা দিতে দিতে বলল,” কাল রাতে খালুরে দুধ দিতে আপনাদের রুমে ঢুকছিলাম,ঢুইকা দেখি তাওয়া ( fry-pan) গরম আছে,তাই আমিও একটা পরোটা ভাইজা ফেলসি।”

জোকস নং ৬৮৯


চিকিৎসক তাঁর নতুন সহকারীকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন— 
চিকিৎসক: আচ্ছা বলো তো, অস্ত্রোপচার করার আগে রোগীকে অজ্ঞান করা হয় কেন?
সহকারী: এ তো খুব সহজ প্রশ্ন, স্যার। রোগী জেগে থাকলে আপনার অস্ত্রোপচার কীভাবে করতে হয়, সেটা শিখে ফেলবে। আর পরে ওই রোগী যদি নিজেই ডাক্তারখানা খুলে অস্ত্রোপচার শুরু করে দেন, তাহলে তো আমরা পথে বসে যাব। এ জন্যই রোগীকে অজ্ঞান করা হয়, স্যার।


জোকস নং ৬৮৮


স্বামী বাসায় না থাকলে জোয়ানা তার বয়ফ্রেন্ড হ্যারিকে প্রায়ই বাসায় নিয়ে আসে। তো একদিন জোয়ানার বাসায় জোয়ানা ও হ্যারি মধুর সময় কাটাচ্ছিল। এমন সময় স্বামী এসে উপস্থিত। জোয়ানা তাড়াতাড়ি হ্যারিকে চিলেকোঠর ঘরে লুকিয়ে ফেলল। খানিক পর সেখানে এল জোয়ানার ১০ বছরের ছেলে বব।
বব: এখানে খুব অন্ধকার, তাই না?
হ্যারি: হ্যাঁ।
বব: তুমি কি আমার বেস বলের গ্লাভস দুটো কিনবে?
হ্যারি: দুঃখিত। আমার প্রয়োজন নেই।
বব: বাসায় আজ কিন্তু ড্যাডি আছে।
হ্যারি: কত দাম গ্লাভস দুটোর?
বব: ২৫০ ডলার।
কিছুদিন পরের ঘটনা। আবারো জোয়ানা ও হ্যারির ডেটিং। আবারো স্বামীর আগমন। আবারো চিলেকোঠা। এবারো বব হাজির।
বব: এখানে খুব অন্ধকার, তাই না?
হ্যারি: হ্যাঁ।
বব: তুমি কি আমার বেস বলটা কিনবে?
হ্যারি: দুঃখিত। আমার প্রয়োজন নেই।
বব: বাসায় আজও কিন্তু ড্যাডি আছে।
হ্যারি: কত দাম তোমার বেস বলের ?
বব: ৭৫০ ডলার।
কিছুদিন পর।
ববের বাবা: বব, তোমার বেসবল আর গ্লাভস কোথায়?
বব: ড্যাড, আমি তো ওগুলো বিক্রি করে দিয়েছি।
বাবা: কার কাছে?
বব: আমার এক বন্ধুর কাছে।
বাবা: কত টাকায়?
বব: ১০০০ ডলারে।
বাবা: মাই সান তুমি তো অনেক বেশি টাকায় ওগুলো বিক্রি করেছ। এটা অন্যায় হয়েছে। সামনের রোববার চার্চে গিয়ে তোমাকে কনফেস করতে হবে।রবিবার।
ববকে নিয়ে বাবা চার্চে উপস্থিত। এক অন্ধকার ঘরে বব ঢুকল একা। সামনে ফাদার।
বব: এখানে খুব অন্ধকার, তাই না?
ফাদার: তুমি আবার শুরু করেছ?

জোকস নং ৬৮৭


এক যুবক আর এক সুন্দরী তরুণী ট্যাক্সি করে বেড়াতে বেড়িয়েছে। মেয়েটি যুবকটিকে নিয়ে তামাশা করে মজা পায়।
হঠাত মেয়েটি বলল, দেখবে কাল আমি কোথায় ইনজেকশন নিয়েছিলাম?
ছেলেটি উৎসাহিত হয়ে সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠল, হ্যাঁ হ্যাঁ দেখব। দেখাও।

মেয়েটি আঙুল তুলে বলল, ওই হাসপাতালটায়।

জোকস নং ৬৮৬


এক বুধবারে টিচার বল্টু কে পড়া ধরলো - বলো তো পৃথিবীর আকৃতি কেমন ?

বল্টু - জানিনা স্যার্।

টিচার এবার একটু নতুন পদ্ধতি তে বল্টু কে শেখানোর কথা ভাবলেন্।

টিচার - তোমার গার্লফ্রেন্ড আজকে কেমন আকৃতির কানের দুল পড়েছে।

বল্টু - স্যার্, চতুরভূজাকার্।

টিচার - ওহ্, গতকাল কেমন পড়েছিলো ?

বল্টু - স্যার বৃত্তাকার্।

টিচার - হুম্, তাহলে এবার বলো তো পৃথিবীর আকৃতি কেমন ?

বল্টু - স্যার , মঙ্গলবারে বৃত্তাকার্, আর বুধবারে চতুরভূজাকার্। 


জোকস নং ৬৮৫ (18+)


এক ভদ্রলোক জুয়েলারির দোকানে গিয়ে প্রেমিকাকে উপহার দেওয়ার জন্য সবচেয়ে দামি ব্রেসলেট চাইলেন।
দোকানদার বললেন, ‘স্যার, ব্রেসলেটে কি আপনার প্রেমিকার নাম খোদাই করে নেবেন?’
ভদ্রলোক কিছুক্ষণ চিন্তা করে বললেন, ‘না, তার দরকার নেই। তার চেয়ে বরং লিখে দেন, তুমিই আমার প্রথম এবং একমাত্র প্রেম।’
দোকানদার বললেন, ‘স্যার, আপনি আসলেই খুব রোমান্টিক।’
এবারে ওই ভদ্রলোক বললেন, ‘এখানে আসলে রোমান্টিকতার কিছু নেই, পুরোটাই প্রাকটিক্যাল। যদি তার সঙ্গে আমার ছাড়াছাড়ি হয়, তাহলে ব্রেসলেটটি আমি অন্য কোথাও ব্যবহার করতে পারব।’


জোকস নং ৬৮৪ (18+)


বাথরুম থেকে গোসল করে স্বামী এল স্ত্রীর কাছে। গিয়ে চড়ে বসলো স্ত্রীর গায়ে, লীলাকৃত্য করার মানসে।
“আহা!”, বিরক্ত হলো স্ত্রী। 

“আজ মাথাটা ভীষণ ধরেছে, আজ থাক।”

এই একই কথা বেশ কিছুদিন শুনতে শুনতে বিরক্ত স্বামী বললো, “না মানে বলছিলাম কি, আমি তো জানি এই সমস্যাটা তোমার প্রায়ই হয়। তাই, যখন বাথরুমে ছিলাম তখন আমি আমার ইয়েতে কিছু এসপিরিন গুঁড়ো করে ভালোমত মাখিয়ে নিয়েছি।”
স্ত্রী শুনে বোকার মত তাকালো। স্বামী বলতে লাগলো, “তাই এবার তুমিই ঠিক কর, এই দাওয়াই তুমি মুখ দিয়ে নেবে নাকি সাপোজিটরি হিসেবে গ্রহণ করবে?”