Friday, December 16, 2011

জোকস নং ৪২৯


কুদ্দুস নামের এক লোক কে পুলিশ ধরে নিয়ে গেলো ৩০ জন মানুষ কে হত্যা করার দায়ে

পুলিশ্ঃ তুমি কিভাবে এত জন কে হত্যা করলা?

কুদ্দুস্ঃ স্যার আমার গাড়ির ব্রেক নষ্ট হয়ে গেছিলো, এমন সময় পথের এক দিক এ ২ জন এবং আরেক দিক এ এক বিয়ে বাড়ির লোক জন ছিল, তাহলে তখন আমার কি করা উচিত্?

পুলিশ্ঃ যেই দিক এ ২ জন সেই দিক এ যেতে পারতা , তাহলে মাত্র ২ জন মারা যেত।

কুদ্দুস্ঃ স্যার আমি তো সেটাই করতে গেছিলাম্, কিন্তু ঐ ২ জন এর এক জন বিয়ে বাড়ির দিকে দৌড় দিছিলো, আর আমি ও তাকে অনুসরণ করলাম আর তারপর ই তো . . . . . . . . .

জোকস নং ৪২৮ (১৮+)


বল্টু তার গার্লফ্রেন্ড কে ফোন দিয়ে বলতেছেঃ জান আজকে রাত এ চল গুল্লি-ডান্ডা খেলি।

গার্লফ্রেন্ড্ঃ নাহ্। সেটা খেলতে পারবো না। । পিচ ভেজা……..কিন্তু তুমি চাইলে ভলি বল খেলতে পার।

জোকস নং ৪২৭ (১৮+)


কুমারীত্ব হচ্ছে সাবানের বুদবুদের মত। একটি মাত্র খোঁচার অপেক্ষা, তারপরই সব শেষ………………..

জোকস নং ৪২৬


মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রেমে পড়ার কিছু লক্ষণ :
১. ঘন ঘন বারান্দায় গিয়ে দাড়ানো,
২. সাজগোজের প্রতি বেশি নজর দেয়া,
৩. কোনো কোনো পোশাকের প্রতি অতিশয় দূর্বলতা থাকা,
৪. একটু পর পর আয়নায় নিজেকে দেখা,
৫. কোথাও যাওয়ার আগে ওড়না ঠিক আছে কি না সেটা বার বার দেখা এবং অকারণে ওড়না ঠিকঠাক করা,
৬. টিভিতে প্রেম বিষয়ক জিনিস দেখে লজ্জায় লাল হয়ে যাওয়া,
৭. দরজা বন্ধ করে রাখার প্রবণতা তৈরি হওয়া,
৮. বাসায় সাজগোজের যন্ত্রপাতির আধিক্য দেখা যাওয়া,
৯. যার কোনোদিন ঘুমের সমস্যা ছিল না তার ঘুম না হওয়া,
১০. বেশি আহ্লাদি হয়ে যাওয়া,  (Collected)

জোকস নং ৪২৫


ছেলে আর মেয়েদের Love প্রোপোজ এর বিভিন্ন্য কথা :
একটা ছেলে যদি একটা মেয়েকে প্রোপোজ করে, তখন মেয়েটা ৬ রকমের উত্তর দিতে পারে।
এগুলি হইলো-
(১) আমাকে একটু সময় দাও. . আমি তোমাকে জানাবো. . . 

(২) এটা আমার পক্ষে সম্ভব নাহ, বাট আমরা সব সময় ভালো ফ্রেন্ড হিসেবে থাকতে পারি।
(
৩) এখন আমাদের এসব এর দিকে না গিয়ে পড়ালেখায় মনোযোগ দেওয়া দরকার।
(
৪) আমি আরেকটা ছেলে কে খুব লাইক করি। সরি, এটা আমার পক্ষে মে বি পসিবল না।
(
৫) ঠাশ্,,,,, ঠাশ্,,,,, ঠা..আশ্!! [গালের মধ্যে]।
(
৬) এটা বলতে এতোদিন লাগে? গাধা কোথাকার! আমিও তো তোমাকে Love করি।. . .
আর একটা মেয়ে যদি একটা ছেলেক প্রোপোজ করে, তাহলে ছেলে দের ৬ রকম উত্তরঃ 
(
১) হ্যা!
(
২) হ্যা!!
(
৩) হ্যা!!!
(
৪) হ্যা!!!!
(
৫) হ্যা!!!!!
(
৬) হ্যা!!!!!!

জোকস নং ৪২৪ (১৮+)


তিনজন মহিলা বসে তাদের স্বামীদের নিয়ে আলোচনা করছেন-
১ম মহিলা : আমি আমার স্বামীকে ড্রিল মেশিন বলি কারণ—
দেয়াল ড্রিল করার মত উনি আমাকে প্রতি রাতে ড্রিল করেন…
২য় মহিলা : আমি আমার স্বামীকে রিমোট-কন্ট্রোল মেশিন বলি..
কারণ আমি না বলা পর্যন্ত্য উনি আমাকে আনন্দ দিতেই থাকে…
৩য় মহিলা : আমি আমার স্বামীকে পোস্টম্যান বলি কারণ সে সবসময় দেরিতে জিনিস ডেলিভারি করে এবং বেশিরভাগ সময় হয় সেগুলো ভুল ঠিকানায়..

জোকস নং ৪২৩ (১৮+)


১ম বন্ধু: আরে দোস্ত, আমার বউ একদম আমার কথা শুনেনা। খালি উল্টা-পাল্টা করে। কি করা যায়? 
২য় বন্ধু: এইরকম মেয়ে লোকের জন্য আমার কাছে একটা ফাস্ট ক্লাস তরিকা আছে।
১ম বন্ধু: কি সেইটা?
২য় বন্ধু: যেইদিন তোর কথা শুনবেনা সেইদিন সামনে থেকে দুইবার, পিছন থেকে দুইবার, দাড়িয়ে দুইবার লাগাবি দেখবি সব ঠিক হয়ে যাবে।
১ম বন্ধু: এইটা কি আমার বউকে শাস্তি দেয়া না আমাকে শাস্তি দেয়া?
২য় বন্ধু: আরে না তুই এতবার করার পর এতো টায়ার্ড হয়ে যাবি যে বউয়ে উল্টা-পাল্টা করলে আর নজরে পরবেনা।

জোকস নং ৪২২


এক জাপানি ভদ্রলোক এসেছেন বাংলাদেশ ভ্রমনে। এয়ারপোর্ট থেকে বের হয়ে সামনে অপেক্ষারত একটা ট্যাক্সিতে চড়ে বসলেন হোটেলে যাওয়ার জন্য। একটু পরে একটা মোটরবাইক পাশ কাটাতেই জাপানিটা সোল্লাসে বলে উঠল, হোন্ডা, মেড ইন জাপান, ভেরী ফাস্ট!! ড্রাইভার কিছু বলল না।একটু পরে ওভারটেক করল একটা কার, আবার জাপানির চিৎকার, টয়োটা, হাহা, মেড ইন জাপান, ভেরী ফাস্ট!!
ট্যাক্সি ড্রাইভার চুপচাপ শুনল, কিছু বলল না। এরপর একটার পর একটা গাড়ি পেছন থেকে উঠে যাচ্ছে আর জাপানি লোকটার উৎসাহ বেড়ে যাচ্ছে, কখনও মিৎসুবিশি, কখনও হোন্ডা, কখনও টয়োটা বলে লাফাচ্ছে আর মনের আনন্দে গুনকীর্তন করছে, মেড ইন জাপান, ভেরী ফাস্ট!! ভেরী ফাস্ট!!
অবশেষে, হোটেলে পৌছল তারা। ক্যাব থেকে নেমে ভাড়া দিতে গিয়ে টাসকি, এইট হান্ড্রেড টাকা? হাউ কাম?
এতক্ষণ চুপ থাকার পর কথা বলার চান্স পেয়েছে ট্যাক্সি ড্রাইভার, হাহা, দিস মিটার, মেড ইন বাংলাদেশ, ভেরী ফাস্ট! ভেরী ফাস্ট!!

জোকস নং ৪২১


বাবা: আমি চাই তুমি আমার পছন্দ মত মাইয়ারে বিয়া করবা!
পোলা: নাহ, আমি নিজে পছন্দ কইরা বিয়া করুম!
বাবা: মাইয়া কিন্তুক বিল গেটসের কন্যা, খৈয়াল কইরা!
পোলা: তাইলে আমি রাজি ! পরের ঘটনা, বাবা বিল গেটসরে প্রস্তাব করতেছে……..
বাবা: আমি তোমার মাইয়ার লাইগা একটা ভালা রর খুইজা বাইর করছি!
বিল গেটস: কিন্তুক আমার মাইয়াত অনেক ছুড! বিয়ার বয়স হয় নাই!
বাবা: বুঝলাম, তয় এই যুবকে কিন্তুক ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট!
বিল গেটস: আহ! আগে কয়বা ত, তাইলে আমি রাজি !
শেষে বাবা গেল ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের প্রেসিডেন্টের কাছে……..
বাবা: আমি একটা পুলারে রিকমেন্ড করতাসি হেরে তুমি তোমার ভাইস প্রেসিডেন্ট কইরা নাও!
প্রেসিডেন্ট: কিন্তুক আমার প্রয়োজনের থেইকা বেশী ভাইস প্রেসিডেন্ট আসে! আর লাগব না!
বাবা: বুজলাম! কিন্তুক এই পুলাডা বিল গেট্সের মাইয়ার বাগদত্তা!
প্রেসিডেন্ট: আহ! আগে কই বা তো, তাইলে আমি রাজি!

জোকস নং ৪২০


আমেরিকায় তখন ভয়ানক মন্দা চলছে। একদিন এক বারে এক লোক ঢুকে বারটেন্ডারকে বললো, 'আজকে এই বারের সবাইকে আমার তরফ থেকে এক পেগ।'বারটেন্ডার বললো, 'তা ঠিক আছে। কিন্তু এই মন্দার সময় তোমার কাছে এতো টাকা আছে তো...?'লোকটি একতাড়া ডলার বের করে দেখালো। বারটেন্ডার অবাক হয়ে গেলো, 'তুমি এতো টাকা কোথায় পেলে?'লোকটি উত্তর দিলো, 'বাজি ধরা আমার পেশা।'বারটেন্ডার বললো, ' কিন্তু বাজি মানেই তো ৫০:৫০ চান্স। তাহলে?'লোকটি বললো, 'ঠিক আছে, চলো ৫০ ডলার বাজি ধরি, আমি আমার ডান চোখে কামড় দিবো।'বারটেন্ডার রাজি হলো। বাজিকর তখন তার নকল ডান চোখ খুলো কামড়ে দিলো।বারটেন্ডার বাজিতে হেরে ৫০ ডলার দিয়ে দিলো।বাজিকর বললো, 'হেরে তোমার মন খুব খারাপ হয়েছে বুঝতে পারছি। চলো তোমাকে আরেকটা চান্স দেই টাকা ফেরত নেবার। এসো বাজি ধরি, আমি আমার বাম চোখে কামড় দিবো।'বারটেন্ডার খুশি হয়ে উঠলো, 'তোমার ডান চোখ নকল, আবার বারে তুমি দেখে দেখেই ঢুকেছো, তোমার বাম চোখটা তাহলে নকল না। আমি বাজিতে রাজি।'বাজিকর তখন তার নকল দাঁত খোলে বাম চোখে কামড় দিলো।'ধুত' - বারটেন্ডার বিরক্ত হয়ে বললো।'দেখলে, এভাবেই আমি আমার বাজিগুলো জিতি। এবারের ৫০ ডলার আমি তোমার কাছ থেকে নিলাম না। তার বদলে এক বোতল হুইস্কি দাও।' 
এক বোতল হুইস্কি নিয়ে বাজিকর চলে গেলো জুয়ার রুমে। প্রায় সারারাত ধরে সে জুয়া খেললো আর হুইস্কির বোতলটা প্রায় খালি করে ফেললো। ভোরের দিকে সে বারটেন্ডারের কাছে এগিয়ে এলো। সে নেশার কারণে ঠিকমতো পা ফেলতে পারছিলো না।কোনমতে বারের উপর ভর রেখে বাজিকর জড়ানো কণ্ঠে বললো, 'আমি তোমার সাথে শেষ বাজি ধরতে এসেছি। আমি তোমার এই টেবিলের উপর দাঁড়িয়ে তোমার পেছনের একটা খালি হুইস্কির বোতলে প্রস্রাব করে দেখাবো। বাজি ১,০০০ ডলার।'
বারটেন্ডার বাজিকরকে সারারাতই হুইস্কি খেতে দেখেছে। সে নিশ্চিত সে কোনভাবেই এই বাজিতে জিততে পারবে না। তাই সে খুশি মনে রাজি হয়ে গেলো।বাজিকর টেবিলের উপর উঠে পেছনের একটা হুইস্কির খালি বোতলে পেশাব ফেলার অনেক চেষ্টা করলো কিন্তু সে এমনভাবে কাঁপছিলো যে সে বোতল বাদে আর সব জায়গাতেই পেশাব দিয়ে ভরিয়ে দিলো।
বারটেন্ডার খুশিতে লাফ দিয়ে বললে, 'ইয়েস, আমি ১,০০০ ডলার জিতেছি।'বাজিকর খুশিমনে তাকে ১,০০০ ডলার দিয়ে দিলো। বারটেন্ডার অবাক হয়ে বললো, 'কি ব্যাপার! তুমি এতো সহজে হার স্বীকার করে নিলে?'বাজিকর বললো, 'জুয়ার রুমের লোকগুলোর সাথে আমার বাজি রয়েছে যে আমি তোমার পুরো বারে প্রস্রাব করবো কিন্তু তুমি হাসবে আর আমাকে মারবে না। ওদের সাথে আমি ৫,০০০ ডলার জিতেছি।'

জোকস নং ৪১৯


      দুই চাপাবাজ, একজন ঢাকাইয়া আরেকজন কোলকাতাইয়া। দীর্ঘদিন বাদে দেখা  

ঢাকাইয়া
: কি দোস্ত কেমুন আছো?
কোলকাতাইয়া: আর দাদা বোলো না। আছি বেশ। দু'আঙুলে কোলকাতাকে নাচাচ্ছি।
ঢাকাইয়া: কউ কি দোস্ত! খাড়াও তোমার এউগা পরীক্ষা লই। পাশ করলে বুঝমু কেমুন তুমি শেঠ।
কোলকাতাইয়া: ঠিক আছে, হয়ে যাক। বলো কি করতে হবে?
ঢাকাইয়া: ওই যে দেখবার লাগছো কাউয়্যাঠুটির গাছ, এউগা কাউয়ার বাসা ভি দেহা যাইতাছে। ওইহানে এউগা কাউয়া বয়া রইছে, ওর পেটের নিচে আন্ডা ভি আছে। এউগা আন্ডা গাছে উইঠা লয়া আইবা মাগার কাউয়া উড়বো না, পারবা?
কোলকাতাইয়া: দোস্ত তর তর করে গাছে উঠে গেলো এবং কাকের পেটের তলা থেকে কাকের ডিমও নিয়ে এলো অথচ কাক টেরও পেলো না।
কোলকাতাইয়া: (নেমে তৃপ্তির স্বরে সে বললো) এই নাও বন্ধু, কাকের পেটের তলা থেকে ডিম নিয়ে এলুম অথচ কাক ঠিকই বসে আছে (বাহাদুরি দেখিয়ে)।
ঢাকাইয়া : হ, তুমি কোলকাতারে দুই আঙুলে ঘুরাও ঠিকই। গাছে উইঠা কাউয়া না উড়ায়া কাউয়ার পেটের তলা থেইকা আন্ডা ভি লিয়া আইছো ঠিকই। মগর উঠোনের টাইমে যে দুই আঙুলে তোর ধুতি আমি খুইলা রাইখা দিছি দাদা, তুমি হালায় টেরই পাইলা না। নিচে চায়া দেহো পুরা কোলকাতা দেহা যাইবার লাগছে। 

জোকস নং ৪১৮


এক ছেলে এবং এক মেয়ে তাদের প্রথম ডেটিং এ এক রেস্টুরেন্ট এ গেছে

ছেলেঃ ডার্লিং আমি তোমাকে একটা কথা বলতে চাই?

মেয়েঃ কি কথা?

ছেলেঃ আমি বিবাহিত।

মেয়েঃ আরে, এ আর এমন কী? আমি তো ভয় ই পেয়ে গেছিলাম যে তুমি বলবা, তোমার কাছে এখোন টাকা নেই।